সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

আরও দেখান
সময়ের জন্য

মেঘ করছে, জট পাকানো দেহ, বিছানায় চা দিয়েছো, গঙ্গা জলের স্নেহ, তুমি এটুকু রেখে দিও, মেঘমল্লারের গান, উপহারে রেখেছি গাছের দেহে প্রাণ। তুমি বরং শূন্য এঁকে দিও, কেন্দ্র হবে নামটি তোমার প্রিয়। এক যুগেই শেষ হয়েছে সহস্র মহাদেশ, মহামারী…

সহস্রবার বাঁচা মরা

বাংলা কবিতা: সহস্রবার বাঁচা মরা যা কিছু যত্ন করে সাজাই,তাই  উড়ে যায়,প্রচন্ড হাওয়ায় , কূল পাই না,পাই না কোনো দিশা। অবেলায় ভাত খাওয়ার মতোই  এও যেন তীব্র কোনো নেশা। বাতাসে ছাই ওড়ে, ওড়ে সম্পর্কের ভগ্নাবশেষ, মাটির উপর শুয়ে থাকি, মনে হ…

ত্রিকোণ

বাংলা কবিতা: ত্রিকোণ মেঘ,সমুদ্র আর আমি এক বাড়িতেই থাকি, জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে উঁকি দিয়েও ডাকি। গর্জে ওঠা, ধাক্কা দেওয়া এসব  তাঁদের স্বভাব, মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে বুঝিনা কীসের অভাব! হাসতে চেয়ে কাঁদতে থাকা, গুমড়ে মরা রোজ, তারপরে…

ওলট পালট

বাংলা কবিতা: ওলট পালট মুখ মুছে নেয় চিল শকুনে, ঘুম কেড়ে নেয় কর্পোরেট, শিং ভেঙে যায় সেফটিপিনের, জল চেয়ে নেয় টুকরো ব্রেড। তীক্ষ্ণ চাবুকে জায়গা পেয়ে যায়, অল্প সাবুতেই দিন ফুরোয়। নিত্য খরচেই স্বপ্ন ভাঙে হায়। চলতি প্রেম জেনো পচে যাবেই।…

খুব সম্ভবত

বাংলা কবিতা: খুব সম্ভবত বাড়ি ফেরার পথ খুঁজে যায়, ছেঁড়া ছায়া আর পালতোলা নৌকায়, কালো মেঘ শুধু জট পাকানো, ভাঙা মন কুড়ানো,ধূ-ধূ রাস্তায় । বাড়ি ফিরি, অফিসের নামে, অফিস যাই বাড়ির তাগিদেই, তুমি যেই ভালোবাসা পেয়েছো, চেনা পাড়ায় অপরিচিত নি…

হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন ডে

আজকের গল্প: হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন ডে জনশূন্য এই কলেজ ক্যাম্পাসের ধারের রাস্তাটা দিয়ে হাঁটতে সুবর্ণার কলেজের প্রথম দিন থেকেই ভীষন ভালো লাগতো। আজ প্রায় বছর আটেক পড়েও তাঁর এই ভালোলাগার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বিশেষত এই বসন্ত ঋতুতে তাঁর কা…

শৈশব

বাংলা গল্প: শৈশব বছর শেষের পথে, শীতটা বেশ জাঁকিয়ে পড়েছে, খুকু অফিসের সাপ্তাহিক ছুটিতে বসে আছে জানালার পাশে।জানালার পাশটা তার বরাবরই খুব পছন্দের, দুপুর থেকেই পশ্চিমী রোদ্দুরটা এসে পড়ে ঘরের অনেকটা অংশে।এই জানালা দিয়েই দেখা যায়, তাঁ…

আরও পোস্ট লোড করুন কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি